zeftera.ru.

About Us

রেস্ (RACE) সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ 

স্বতন্ত আইনগত সত্বাবিশিষ্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা

মানুষের ঐক্য ও যৌথ প্রচেষ্টার সাংগঠনিক ব্যবস্থার নাম সমবায়। ব্যক্তি ও সমষ্টির স্বার্থের সমন্বয় ঘটিয়ে আর্থ-সামাজিক অবস্থার কাংক্ষিত পরিবর্তন সাধনে মানবিক প্রযুক্তি হিসেবে সমবায়ের উপযোগিতা অনস্বীকার্য। সমবায় পদ্ধতি উন্নয়নের অন্যতম কার্যকর পন্থা।

আমাদের সমবায় আন্দোলন হইবে সাধারণ মানুষের যৌথ আন্দোলন, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি জনতার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান। আসুন আমরা সকলেই সমবায়ের যাদুস্পর্শে সুপ্ত গ্রাম বাংলাকে জাগিয়া তুলি। আমাদের সঙ্গবদ্ধ জনশক্তির সমবেত প্রচেষ্টায় গড়ে তুলতে হইবে ‘সোনার বাংলা’। রাজনৈতিক স্বাধীনতা তার সত্যিকারের অর্থ খুঁজিয়া পাইবে অর্থনৈতিক মুক্তির স্বাদে, আপামর জনসাধারণের ভাগ্যেন্নয়নে। তবেই গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে রূপায়িত হইবে সমাজতান্ত্রিক নীতির এবং সেই অভীষ্ট লক্ষ্যে আমরা পৌঁছাইবো সমবায়ের মাধ্যমে।

  • সমবায় অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পল−ী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনস্ত একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯০৪ সাল থেকে এদেশের জনগণকে সমবায়ের ৭টি আদর্শে উদ্ভুদ্ধ করিয়া এ প্রতিষ্ঠান দেশের সকল শ্রেণীর ও পেশার জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরনের জন্য কাজ করিয়া আসিতেছে। এদেশে সমবায় আন্দোলন আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত ৭টি আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হয়।

    এগুলো হচ্ছে ঃ-

    স্বতঃস্ফুর্ত ও অবাধ সদস্যপদ
    সদস্যের গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ
    সদস্যের আর্থিক অংশগ্রহণ
    স্বায়ত্বশাসন ও স্বাধীনতা
    শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও তথ্য
    আন্তঃসমবায় সহযোগিতা
    সামাজিক অঙ্গীকার

সমবায়ের ভিত্তি হচ্ছে গণতন্ত্র, সাম্য ও সংহতি এবং এর লক্ষ্য হইতেছে স্বাবলম্বিতা ও স্বনির্ভরতা। মূলতঃ কৃষিনীর্ভর অর্থনীতিকে সমর্থন করিবার জন্য এদেশে সমবায়ের সূচনা হইলেও বর্তমানে অর্থনীতির প্রায় সকল ক্ষেত্রে সমবায় তাহার কার্যμমকে বিস্তৃত করিয়াছে।

সরকারী কর্মসূচী এবং জনস্বার্থের সাথে সংগতি রাখিয়া সমবায় সমিতি গঠন, নির্বাচন, মূলধন সৃষ্টি, বৃত্তিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যμমে অনুপ্রেরনা সৃষ্টির মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তর দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছে।

“আমি সৃষ্টি করিব আমার কর্মসংস্থান”এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে “রেস্”-এর যাত্রা শুরু হয়। উলে−খিত লক্ষ্য অর্জনে রেস্ সংস্থা এর সহযোগী সংস্থা (জনকল্যাণ সঞ্চয় ও ঋণ প্রকল্প/জনকল্যাণ উন্নয়ন প্রকল্প/রেস্ এন্টারপ্রাইজ এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণের বহুমূখীকরণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্যμম পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করিয়া আসিতেছে, যার মধ্যে সমৃদ্ধি ও দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি অন্যতম।

রেস্ সংস্থা ২০১৩ সাল থেকে তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র পরিবারকে লক্ষ্য করিয়া সামগ্রিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য “দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে দরিদ্র পরিবারসমূহের সম্পদ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি (সমৃদ্ধি)’’ শীর্ষক একটি সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করিয়া আসিতেছে। এ কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে অংশগ্রহণকারী পরিবারগুলোকে বিভিন্ন সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত করা, ব্যক্তির মানব মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা, যাতে তারা টেকসই ভিত্তিতে তাদের দারিদ্র্য হ্রাস করিয়া μমান্বয়ে তাহা দূরীকরণের লক্ষ্যে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়া যায়। বর্তমানে কর্মসূচিটি দেশের পল্লী দারিদ্রতম এলাকা নীলফামারী জেলাধীন ডিমলা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হইতেছে। ভবিষ্যতে জেলা ও বিভাগ এবং সারা দেশে কাজ করিবার দৃঢ় প্রত্যয় রহিয়াছে। সমৃদ্ধি কর্মসূচিভুক্ত ইউনিয়নসমূহের জনগণের টেকসই দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সামগ্রীক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের কার্যμম গ্রহণ করা হইয়াছে। বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যুব উন্নয়ন ও যুব কর্মসংস্থান, কমিউনিটি-ভিত্তিক উন্নয়ন, চাষাবাদ, বিশেষ সঞ্চয়, আয়বর্ধনমূলক কার্যμম বিষয়ক প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা, বসত বাড়িতে সবজি চাষ, হাঁস-মুরগী পালন, গরু-ছাগল পালন, স্যানিটেশন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রহিয়াছে।